বাংলাদেশে নতুন অধ্যায়: ইতিহাসের ১৩তম জাতীয় নির্বাচন শুরু

বাংলাদেশে নতুন অধ্যায়: ইতিহাসের ১৩তম জাতীয় নির্বাচন শুরু


ডেস্ক রিপোর্টঃ

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের ১৩তম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের পর প্রথম নির্বাচন, যেখানে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের জন্য এটি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। সারা দেশে ৩১,০০০-এর বেশি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য প্রায় ১ মিলিয়নের বেশি সেনা ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

বিএনপি এখন প্রধান শক্তি হিসেবে সামনে এসেছে। দলের নতুন নেতা তারেক রহমান দীর্ঘ নির্বাসনের পর দেশে ফিরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

জামায়াতে ইসলামি নেতৃত্বাধীন ১১ দলের জোট বিরোধী শক্তি হিসেবে অংশগ্রহণ করছে। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা নির্বাচনে নেই; আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করেনি।

নির্বাচন প্রচারণা শেষ হয়েছে এবং সারা দেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে হিংসার ঝুঁকি থাকায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী নির্বাচনে কিছু সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটলেও, আজ পর্যন্ত ভোটের পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্থির রয়েছে।

ভোটের সঙ্গে একটি রেফারেন্ডাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকারের ক্ষমতা সীমিত করা, মেয়াদ সীমা এবং অন্যান্য রাজনৈতিক সংস্কার গৃহীত হবে কি না তা নির্ধারণ করা হবে।

দাঙ্গা-সহিংসতা কমিয়ে, গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনঃস্থাপনের আশা এই নির্বাচনের মূল বিষয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কমনওয়েলথসহ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ভোট পর্যবেক্ষণ করছেন।

প্রতিবেশী দেশ ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের নজর এই নির্বাচনের দিকে, কারণ এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

নবীনতর পূর্বতন