ডেস্ক রিপোর্টঃ
জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরদিনই ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের মধ্য দিয়েই শুরু হবে নতুন সংসদের যাত্রা। এরপরই গঠিত হবে নতুন সরকার।
তবে এমপিদের শপথ কে পড়াবেন—এ প্রশ্নে এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, গেজেট প্রকাশের পর সংবিধানসম্মত ও আইনগত ঝুঁকি এড়াতে বিকল্প প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।
সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ না থাকায় দায়িত্বটি অন্য কারও ওপর অর্পণের বিষয়টি সামনে এসেছে। আলোচনায় রয়েছে, প্রয়োজনে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন–এর প্রধান, অর্থাৎ প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই শপথ পাঠ করাতে পারেন।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধানের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে শপথ বা সরকার গঠন করা হলে ভবিষ্যতে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকে। সে কারণে সব পক্ষই চাইছে একটি গ্রহণযোগ্য ও বৈধ পদ্ধতিতে শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হোক।
এদিকে সংসদ সদস্যদের শপথের পর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন—এটি সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
সব মিলিয়ে, শপথ অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য দিন নিয়ে জোর আলোচনা থাকলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট মহল দ্রুত একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
