অনলাইন ডেস্কঃ ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হয়ে এসেছে, তবে কিছু ইতিবাচক সিগন্যালও স্পষ্ট হচ্ছে।
সম্প্রতি IMF তার জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস সামান্য কমিয়ে দিয়ে বর্তমানে গঠনমূলক আর্থিক চ্যালেঞ্জগুলোর সঙ্গে লড়াই করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
IMF ও ADB‑র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশ এখনো এশিয়ার মধ্যে অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, তবে কর আয় কম হওয়া, ব্যাংকিং খাতে পাওনা ঋণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া এবং দ্রুত ঋণ সংগ্রহের কারণে অর্থনৈতিক গতিশীলতা কিছুটা কমে গেছে এগুলো উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখার জন্য উৎপাদন, ব্যবসা, কর ব্যবস্থা ও ব্যাঙ্কিং খাতের সংস্কার আরও জরুরি, যাতে ব্যবসা‑বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পায়।
IMF‑ADB‑র রিপোর্টে উল্লেখ আছে, বাংলাদেশ কম বৃদ্ধি হার সত্ত্বেও যদি কাঠামোগত সংস্কারের দিকে ঝুঁকে, তাহলে তার অর্থনীতি মধ্যমেয়াদে আরও শক্তিশালী হতে পারে।
তবে দেশের অর্থনীতি নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনায় উল্লেখ করা হচ্ছে, নিম্ন কর সংগ্রহ, ঋণ বোঝা ও মূল্যস্ফীতির প্রভাব জনগণের জীবনযাত্রাকে জাঁকিয়ে দিয়েছে এবং এসব সমস্যা দ্রুত সমাধান না করলে বৃদ্ধি অনিশ্চিত হতে পারে।
আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা এই সংকট মোকাবিলায় আরও কার্যকর নীতি প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন।
মোটকথা, বাংলাদেশ এখনও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখছে কিন্তু আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলি উন্নয়নকে ধীর করে তুলছে এবং এ পরিস্থিতিতে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে সিদ্ধান্তগ্রহণ ও সংস্কারকে ত্বরান্বিত করার প্রয়োজন রয়েছে।
